Add Your Business Package Order

Quick Response : 01777 696935

rangrpur

রংপুর ভ্রমণ | Rangpur Tourist Places

রংপুর ভ্রমণ |Rangpur Tourist Places

এক নজরে রংপুরের দর্শনীয় স্থান গুলো জেনে নিন। তাজহাট রাজবাড়ী, বংপুর চিড়িয়াখানা, ঘাগট প্রয়াস পার্ক, রানিপুকুর, কারমাইকেল কলেজ, ভিন্নাজগত পার্ক, পায়রাবন্দর, চিকলির পার্ক, তনকা মসজিদ ও রংপুরে হাঁড়িভাঙ্গা আম ইত্যাদি। 

তাজহাট রাজবাড়ী রংপুর 

তাজহাট রাজবাড়ী রংপুর শহর থেকে প্রায় ০৬ (ছয়) কিলোমিটার দূরে তাজহাট গ্রামে অবস্থিত। তাজটা রাজবাড়ী  রত্ন ব্যবসায়ী মান্নলাল ছিলে তাজহটা জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা। দেশের সুবিশাল ও অনন্য সুন্দর স্থাপনাগুলোর মধ্যে তাজহাট জমিদারবাড়ী অন্যতম । বর্তমানে জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংরাদেশেজুড়েই ছরিয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে, ঐতিহাসিক স্থান এর মধ্যে তাজহাট রাজবাড়ী অন্যতম পর্যটন  কেন্দ্র এবং প্রদাটি ভ্রমলপ্রিয় মানুষকে মুদ্ধ করবে। স্থাপত্য তাজহাট রাজবাড়ীটি ঢাকার আহসান মঞ্জিললে সঙ্গে বেশ মিল রয়েছে। তাজহাট রাজবাড়ী তৈরি করতে সেই সময়েই প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে । প্রসাদ চত্বরে রয়েছে বিশাল মাঠ, গাছের সারি এবং প্রাসারে দুই পাশে রয়েছে দুইটি পুকুর । রাজবাড়ীটির চার পাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ শোভা, ফুল ও ফলের বাগান । চার তলা বিশিষ্ট তাজহাট জমিদার বাড়ী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে লাল ইট, শ্বেত পাথর ও চুনা পাথর দ্বারা নির্মিত বিধায় দেখতে অতি চমৎকার লাগে। রাজবাড়ীর ভিতরে রয়েছে অসংখ্য কক্ষ, গোসলখানা ও অতিথিদের জন্য আলাদা শয়নশালা । তাজহাট রাজবাড়ীর সর্বমোট ৩১ টি সিঁড়ি রয়েছে যার প্রতিটি সিঁড়ি ইতারীয় ঘরানার মার্বেল পাথরে তৈরি । রাজবাড়ীর পশ্চাৎভাগে গুপ্ত সিঁড়ি রয়েছে  এই গুপ্ত সিঁড়ি কোন এক সুড়ংগের সাথে যুক্ত যা সারাসরি ঘাঘাট নদীর সাথে যুক্ত এমন জনশ্রুতি শোনা যায় তবে সিঁড়ি টা এখন নিরাপত্তার কারনে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মান্নানলাল রায় সুদূর পাঞ্জাব থেকে ব্যবসা করার জন্য রংপুরে এসেছিলেন, মান্নানলাল রায় গোষ্টি গোবিন্দলাল ১৮৯৬ সালে জমিদার বাড়ীর উত্তরাধিকারী হন। তিনি নানা ধররের নামিদামি হীরা, মানিক, জহরতখচিত তাজ বা টুপির ব্যবসা করতেন। এই তাজ বিক্রির জন্য রংপুরে হাট বসতো, যা পরবতীতে বিরাট প্রসিদ্ধি লাখ করেন। তাজ বিক্রিকে কেন্দ্র করে জমিদারবাড়ীর নাম করণ করা হয় তাজহাট রাজবাড়ী। চমৎকার এই রাজবাড়ী স্থাপনা তৈরি করতে প্রায় ১০ বছর সময় লেগেছে ।

ভিন্নাজগত  রংপুর

যান্ত্রিক জীবনের যন্ত্রলায় অতিষ্ঠ হযে আমারে মাঝেমধ্যেই মনে হয়, যাদি পারতাম চেনা গণ্ডিত ছেড়ে দূরে অন্য কোথাও চলে যেতে যে খানে আছে চার দিকে সবুজ গাছ, চার দিকে ফুল ফল এর বাগান সমারহ ভিন্ন জগত । হ্যাঁ, এ যেন এক ভিন্ন জগত রংপুরে অবস্থিত ভিন্ন জগত পার্ক এর কথাই বলছি, আজ আপনারেদ পরিচয় করিয়ে দিবো ভিন্ন জগতের সঙ্গে। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার খলেয়া গুঞ্জিপুর এলাকায়  একশো একর বিস্তৃত জায়গাজুড়ে ভিন্ন জগত পার্ক নামে বিনোদক কেন্দ্র গড়ে উঠেছে । এই পার্কটি স্থাপন করা হয় ২০০১ সালে । রংপুরে এর আগে এর সৌন্দর পার্ক আর ছিলো না ভিন্নজগত পার্কটি বিনোদনে নতুন মাত্র যোগ করে দিয়েছে । এটি রংপুর শহর থেকে এগারো কিলোমিটা দূরে  পার্কটি অবস্থিত। ভিন্নজগতে রয়েছে চমৎকার লেক । পার্কের প্রধান ফটক পার হলেই তিন দিকের বিশাল লেক চোখে পড়ে। আরেকু সামনে গেলে চোখে পড়ে লোহার ব্রীজ। পার্কের ভিতরে আছে বৃক্ষলতা, গাছ গাছালি, লতাগুণ্মও, ঝোপঝাড়, শুধু দেশী গাছ নয়, এখানে শোভা পেছেছে নাম না জানা বিদেশী গাছও । দর্শনার্থীরা সারাটা দিন গাছের ছায়ায় প্রশান্তির সাথে কাটিয়ে দিতে পারবে। বুক ভরে সবুজের ঘ্রাণ নিতে পারবে। ভিন্নজগ পার্কে প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা ।

ঘাগট প্রয়াস পার্ক

দিনশেষে  পশ্চিম আকাশে ডুবে যাওয়া ষূর্যের রক্তিম আভাস সাঁঝ বেলায় নদী তীরে বসে গায়ে শীতল গাওয়া লাগাতে ভালবাসে প্রতিটি মানুষ। কিন্তু সেই সময়- সুযোগ হয়ে উঠে না । এজন্য চাই একটু অবসর এবং নদী আ নির্মল পরিবেশ। আর এই পরিবেশটা উপভোগ করার জন্য রংপুরে গড়ে তুলেছে প্রয়াস সেনা বিনোদন পার্ক ঘাঘট নদীর পাড়ে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ কিছুটা নিরিরিলি সময় কাটাতে ঘুরে আসতে পারেন নান্দনিক সৌন্দর্যের এই পার্ক থেকে । বাংলাদেম সেনাবাহিনী গড়ে তুলেছে মনোরম এই পার্কটি । প্রায় ১১০০ একর  জাযগা নিয়ে ২০১৩ সালে ঘাঘট নদীর দুপাড় ও আশে পাশের এলাককে কেন্দ্র করে গড়ে তুলা হয়েছে ঘাগট প্রয়াস সেনা পার্ক। প্রয়াস সেনা বিনোদন পার্কের অভ্যন্তরে রয়েছে ভিভিন্ন প্রতিকৃতি, কৃত্রিম, সম্রদ্রসৈকত, নৌ ভ্রমলের সুব্যবস্থা, শিশুদের বিনোদনের সুব্যবস্থা আছে, সাজানো গোছানো প্রয়সা সেনা বিনোদন পার্কের আয়ের ৭৫ শতাংশই প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। টিকিটের মূল্য ২০ টাকা । 

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম

বাংলাদেশের বিখ্যাত ও সুস্বাদু , আঁশহীন, স্বাদে, গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙা আম। এই আমের উৎপত্তি রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়ন থেকে। রংপুরের শত শত মানুষ এই হাড়িভাঙ্গা আম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। হাঁড়িভাঙা আমটির ইতিহাসের গোড়াপত্তন করেছিলেন নফল উদ্দিন পাইকার নামের এক বৃক্ষবিলাসী মানুষ। শুরুতে এর নাম ছিলো মালদিয়া আর বর্তমানে হাঁড়িভাঙা আম।   

ঢাকা থেকে যেভাবে যাবেন 

ঢাকার গাবতলী, কল্যালপুর ও মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং আব্দুল্লাপুর  থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবহরের যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকার গাবতলী, কল্যালপুর ও মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং আব্দুল্লাপুরের বাস গুলো সাভার হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে বংপুর যাতায়াত করে। ভাড়া জন প্রতি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা ।   

Related Post

Satchari National Park

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান | Satchari National Park

সাতছড়ি !নামটা শুনলেই কেউ হয়তও ভাববেন হয়ত এখানে শুধু সাতটি ছড়ি আছে আসলে বাস্তবে তা এর চেয়ে আরও অনেক কিছু বেশি আছি।এটা…

  • 12 months ago
  • md Abdul Musaddek
Dhaka Resort

ঢাকা রিসোর্ট গাজীপুর | Dhaka Resort Gazipur

 এই রিসোর্ট তাদের ভ্রমনকারীদের শতভাব প্রাকৃতিক আবহতে আবকাশ যাপন করার সকল সুযোগ সুবিধা তৈরি রয়েছে। বিশাল জায়গা জুড়ে গড়ে উঠা রিসোর্টি গাজীপুরে …

  • 2 years ago
  • MONIR

Grow Up Your Business

We will promote your business with referral attractive advertisement.
  • Travelling Agency
  • Hotel and Resorts Business
  • Resturent Business
  • Online Ticket Booking

Email Us: business@ajanapath.com